Skip to main content

অর্থনীতিবিদদের মতে, টাকা জমানোর সবচেয়ে নিরাপদ মাধ্যম হলো সোনা। ব্যাংকে টাকা রাখলে মুদ্রাস্ফীতির (Inflation) কারণে টাকার মান কমে যায়, কিন্তু সোনার দাম সময়ের সাথে সাথে জ্যামিতিক হারে বাড়ে। অনেকেই বিনিয়োগের উদ্দেশ্যে ছোট আকারের সোনার বার বা কয়েন কেনেন। আজকে আমরা ৫ গ্রাম ও ১০ গ্রাম সোনার দাম এবং বিনিয়োগের গাইডলাইন নিয়ে আলোচনা করব।

বিনিয়োগের জন্য কোন সোনা কিনবেন?

ইনভেস্টমেন্টের জন্য গহনা কেনা খুব একটা বুদ্ধিমানের কাজ নয়, কারণ গহনায় মেকিং চার্জ এবং ভ্যাট দিতে হয় এবং বিক্রি করার সময় ২০% টাকা কাটা যায়। সবচেয়ে লাভজনক হলো ২৪ ক্যারেট সোনার (99.9% Pure Gold) বার বা কয়েন কেনা। এতে কোনো খাদ থাকে না এবং মজুরিও থাকে না।

৫ গ্রাম ও ১০ গ্রাম সোনার দাম কত?

সোনার বার সাধারণত গ্রাম (Gram) বা তোলা (Tola) হিসেবে বিক্রি হয়।

কোথায় থেকে সোনার বার কিনবেন?

বাংলাদেশে ব্যাংক থেকে সোনার বার কেনা যায় না। আপনাকে বিশ্বস্ত কোনো জুয়েলারি শোরুম থেকে ২৪ ক্যারেট বা ৯৯৯.৯ ফিনেসের (999.9 Fineness) সোনার বার বা কয়েন কিনতে হবে। অবশ্যই অরিজিনাল ক্যাশ মেমো সযত্নে লকারে রেখে দেবেন।

আজই আপনার ভবিষ্যতের নিরাপত্তার জন্য সোনার দাম চেক করে বিনিয়োগ শুরু করুন।

গ্রামে সোনার দাম বোঝার উপায়

গ্রাম হলো আন্তর্জাতিক ওজনের একক এবং BAJUS-ও প্রতি গ্রামে দাম নির্ধারণ করে। ভরিতে রূপান্তর করতে গ্রামের দাম × ১১.৬৬৪ গুণ করুন। গ্রামে দাম জানলে: (১) আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সরাসরি তুলনা করা যায়। (২) ছোট গহনার সঠিক মূল্য বোঝা যায়। (৩) বিভিন্ন দোকানের দাম সহজে তুলনা করা যায়। মনে রাখুন: ১ ট্রয় আউন্স = ৩১.১০৩৫ গ্রাম — আন্তর্জাতিক বুলিয়ন বাজারে এই এককে দাম দেওয়া হয়।