Skip to main content

বাংলাদেশে সোনার দামের প্রসঙ্গ এলেই একটি নাম সবার আগে আসে— BAJUS (বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি)। দেশের সোনার বাজার নিয়ন্ত্রণ এবং ক্রেতা-বিক্রেতার অধিকার সুরক্ষায় বাজুস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকেই অনলাইনে "bajus gold price today" লিখে সার্চ করেন। আজকে আমরা জানব বাজুস কীভাবে দাম নির্ধারণ করে এবং তাদের নতুন কিছু নিয়মাবলী সম্পর্কে।

বাজুস কীভাবে সোনার দাম নির্ধারণ করে?

অনেকেই ভাবেন বাজুস হয়তো নিজেদের ইচ্ছেমতো সোনার দাম বাড়ায় বা কমায়। বিষয়টি মোটেও তা নয়। বাজুস মূলত দুটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে সোনার দাম আপডেট করে:

  1. আন্তর্জাতিক বাজার: বিশ্ববাজারে বা দুবাইয়ের বুলিয়ন মার্কেটে সোনার দাম (প্রতি আউন্স) বাড়লে বা কমলে।
  2. ডলারের রেট: যেহেতু সোনা আমদানি করতে হয়, তাই দেশে ডলারের রেট বাড়লে সোনার দামও আনুপাতিক হারে বেড়ে যায়।
বাজুসের স্ট্যান্ডিং কমিটি অন প্রাইসিং অ্যান্ড প্রাইস মনিটরিং সার্বক্ষণিক এই বাজার পর্যবেক্ষণ করে এবং প্রয়োজনে দাম সমন্বয়ের ঘোষণা দেয়।

আজকের বাজুস নির্ধারিত সোনার দাম

বাজুসের ঘোষণা অনুযায়ী দেশের সকল স্বনামধন্য জুয়েলারি শোরুমে একই দামে সোনা বিক্রি করতে হয়। আপনি আমাদের ওয়েবসাইট থেকে সহজেই বাজুস নির্ধারিত ২২ ক্যারেট, ২১ ক্যারেট এবং ১৮ ক্যারেট সোনার রেট জানতে পারবেন।

গহনা কেনা-বেচায় বাজুসের নিয়ম

ক্রেতাদের সুবিধার্থে বাজুস বেশ কিছু স্ট্যান্ডার্ড নিয়ম করে দিয়েছে:

  • মজুরি: যেকোনো গহনার ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে (সাধারণত ভরিপ্রতি সাড়ে তিন হাজার টাকার নিচে নয়)।
  • এক্সচেঞ্জ পলিসি: পুরোনো সোনার গহনা দিয়ে নতুন গহনা (এক্সচেঞ্জ) নিলে সাধারণত ১০% টাকা বাদ দেওয়া হয়।
  • ক্যাশ রিটার্ন: পুরোনো গহনা সরাসরি বিক্রি করে ক্যাশ টাকা নিতে চাইলে ২০% টাকা বাদ দেওয়া হয়।

সতর্কতা

অবশ্যই বাজুস অনুমোদিত দোকান থেকে সোনা কিনবেন এবং হলমার্ক যাচাই করে ক্যাশ মেমো বুঝে নেবেন। গহনার মোট দাম হিসাব করতে আমাদের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।