Skip to main content

বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জে এবং পুরোনো গহনার ক্ষেত্রে 'গিনি সোনা' শব্দটি খুবই পরিচিত। মা-দাদিদের আমলের বেশিরভাগ গহনাই গিনি সোনা দিয়ে তৈরি হতো। এখনো অনেকেই দোকানে গিয়ে গিনি সোনার খোঁজ করেন বা ইন্টারনেটে "গিনি সোনার দাম কত" লিখে সার্চ করেন। চলুন গিনি সোনা সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নিই।

গিনি সোনা কী?

গিনি সোনা মূলত ২২ ক্যারেট সোনারই একটি সনাতন বা পুরোনো রূপ। তবে পার্থক্য হলো, বর্তমানে ২২ ক্যারেট সোনায় ৯১.৬% খাঁটি সোনা থাকে, কিন্তু গিনি সোনায় ২২ ক্যারেটের মান পুরোপুরি নিখুঁতভাবে বজায় রাখা হতো না। পুরোনো গিনি সোনায় কখনো কখনো ৯০% বা তার চেয়েও কম সোনা থাকতে পারে। একে অনেক সময় সনাতন পদ্ধতির সোনাও বলা হয়।

গিনি সোনার দাম কত?

বর্তমানে বাজুস (BAJUS) নির্ধারিত স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী গিনি সোনাকে 'সনাতন পদ্ধতির সোনা' হিসেবে ধরা হয়। এর দাম ২২ ক্যারেট বা ২১ ক্যারেট সোনার চেয়ে বেশ কিছুটা কম থাকে। আমাদের ওয়েবসাইট থেকে আপনি সনাতন পদ্ধতির সোনার লেটেস্ট রেট জানতে পারবেন।

গিনি সোনা চেনার উপায়

গিনি সোনা সাধারণত গাঢ় হলুদ বা কিছুটা তামাটে বর্ণের হয়, কারণ এতে তামার খাদ বেশি থাকত। সবচেয়ে ভালো উপায় হলো কোনো বিশ্বস্ত জুয়েলারি শপে গিয়ে মেশিনের মাধ্যমে সোনার মান যাচাই করে নেওয়া।

গিনি সোনা বিক্রি করার নিয়ম

আপনি যদি আপনার পুরোনো গিনি বা সনাতন সোনা বিক্রি করতে যান, তবে দোকানদার প্রথমে সোনাটি গলিয়ে এর আসল ক্যারেট বের করবে। এরপর সেই অনুযায়ী দাম দেওয়া হবে। হিসাব মেলানোর জন্য আমাদের ক্যালকুলেটরটি ব্যবহার করতে পারেন।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।