Skip to main content

সোনা কেনার সময় জুয়েলারি দোকানে বসে দোকানদারের খাতায় 'ভরি-আনা-রতি'-এর হিসাব দেখে মাথা ঘুরে যায় না, এমন ক্রেতা খুব কমই আছেন। সাধারণ মানুষের জন্য সোনার এই প্রাচীন হিসাবগুলো বেশ জটিল মনে হতে পারে। আজকে আমরা সোনার পরিমাপের সবচেয়ে সহজ নিয়মটি শিখব এবং কীভাবে স্বর্ণের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করে নিজে নিজেই হিসাব মেলাবেন তা জানব।

সোনার ওজন পরিমাপের এককগুলো

বাংলাদেশে সোনার হিসাবের ক্ষেত্রে মূলত নিচের এককগুলো ব্যবহার করা হয়:

  • ১ ভরি (Vori) = ১৬ আনা
  • ১ আনা (Ana) = ৬ রতি
  • ১ ভরি = ৯৬ রতি

আন্তর্জাতিক হিসাবের (গ্রাম) সাথে এর সম্পর্ক হলো: ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম

কীভাবে নিজে নিজে গহনার দাম হিসাব করবেন?

ধরা যাক, আপনার পছন্দের গহনাটির ওজন ১ ভরি ৪ আনা ৩ রতি। এখন এর দাম কীভাবে বের করবেন?

  1. সবচেয়ে সহজ উপায় হলো পুরো ওজনটাকে 'গ্রাম'-এ রূপান্তর করে নেওয়া, কারণ গ্রামের হিসাব দশমিকের (Decimal) হয়, যা গুণ করা সহজ।
  2. কিন্তু ম্যানুয়ালি এই রূপান্তর করা অনেক ঝামেলার কাজ। তাই আমরা এই কাজটি আপনাদের জন্য পুরোপুরি সহজ করে দিয়েছি!

গোল্ড ক্যালকুলেটরের ম্যাজিক

আপনি শুধু আমাদের স্বর্ণের ক্যালকুলেটর পেজে যান। সেখানে ড্রপডাউন থেকে আপনার গহনার ক্যারেট (যেমন- ২২ ক্যারেট) সিলেক্ট করুন। এরপর ভরি, আনা ও রতির ঘরে শুধু সংখ্যাগুলো বসিয়ে দিন (যেমন: ১ ভরি, ৪ আনা, ৩ রতি)। মজুরি এবং ভ্যাট সিলেক্ট করলেই এক সেকেন্ডে আপনার গহনার একদম সঠিক মোট দাম বের হয়ে আসবে!

সোনা কেনার সময় দোকানদারের হিসাবের সাথে আপনার মোবাইলের ক্যালকুলেটরের হিসাবটি মিলিয়ে নিতে ভুলবেন না। সঠিক হিসাব জানলে কেউ আপনাকে ঠকাতে পারবে না।

ভরিতে সোনা কেনার আগে জানুন

বাংলাদেশে সোনার দাম সাধারণত ভরিতে বলা হয়। ১ ভরি = ১১.৬৬৪ গ্রাম = ১৬ আনা = ৯৬ রতি। গহনা কেনার সময় দোকানদার ভরিতে দাম বললেও, BAJUS রেট প্রতি গ্রামে নির্ধারিত হয়। তাই রূপান্তর জানা জরুরি। গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ: (১) মোট খরচ = (BAJUS রেট × ওজন) + মেকিং চার্জ + ভ্যাট। (২) মেকিং চার্জ ডিজাইনভেদে প্রতি ভরি ৳৫,০০০–৳৩০,০০০ হতে পারে। (৩) পুনর্বিক্রয়ে মেকিং চার্জ ফেরত পাবেন না — তাই সিম্পল ডিজাইন বেছে নিলে লস কম। (৪) একাধিক দোকানে দাম তুলনা করুন।