Skip to main content

জ্বালানি তেলের দাম বাড়লে বাসভাড়া থেকে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম কমলে দেশের বাজারে তার প্রভাব খুব একটা দেখা যায় না। অনেকেই প্রশ্ন করেন, "বাংলাদেশে কি জ্বালানি তেলের দাম কমার কোনো সম্ভাবনা আছে?" চলুন বিষয়টি বিস্তারিত বিশ্লেষণ করি।

অটোমেটিক প্রাইসিং ফর্মুলা (Automatic Pricing Formula)

সাধারণ মানুষের দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে সরকার সম্প্রতি 'স্বয়ংক্রিয় জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা' চালু করেছে। এর মানে হলো, প্রতি মাসে আন্তর্জাতিক বাজারের সাথে সমন্বয় করে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের দাম নতুন করে নির্ধারণ করা হবে। যদি বিশ্ববাজারে ক্রুড অয়েলের (Crude Oil) দাম কমে, তবে দেশের বাজারেও তেলের দাম কমানো হবে, আর বাড়লে বাড়ানো হবে।

কেন সবসময় দাম কমে না?

বিশ্ববাজারে দাম কমলেও দেশে অনেক সময় দাম কমে না, এর পেছনে মূল কারণ হলো ডলার সংকট এবং টাকার অবমূল্যায়ন। উদাহরণস্বরূপ, বিশ্ববাজারে ১ ব্যারেল তেলের দাম হয়তো ৮০ ডলার থেকে কমে ৭০ ডলারে নেমেছে। কিন্তু দেশে ১ ডলারের দাম যদি ১০০ টাকা থেকে বেড়ে ১২০ টাকা হয়ে যায়, তবে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশনকে (BPC) সেই বাড়তি টাকা দিয়েই তেল আমদানি করতে হয়। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে দাম কমলেও ডলারের রেটের কারণে এর কোনো সুফল আমরা পাই না।

সর্বশেষ আপডেট

সরকার প্রতি মাসের প্রথম সপ্তাহে জ্বালানি তেলের নতুন দাম ঘোষণা করে। এই মাসের লেটেস্ট রেট জানতে আমাদের ওয়েবসাইটের পেট্রোল, অকটেন এবং ডিজেল পেজগুলোতে চোখ রাখুন।

জ্বালানি দাম বোঝার উপায়

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম BPC (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) এবং সরকার নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক ক্রুড অয়েলের দামের সাথে সরাসরি সম্পর্ক থাকলেও দেশীয় দাম পরিবর্তনে সময় লাগে। ডিজেলের দাম সরাসরি পরিবহন ও পণ্যমূল্যে প্রভাব ফেলে।