Skip to main content

এটি একটি অত্যন্ত সাধারণ প্রশ্ন: "স্বর্ণের দাম বাড়ছে — আমার পুরাতন গহনার দামও কি বাড়বে?" সংক্ষেপে উত্তর: হ্যাঁ, অবশ্যই।

কেন পুরাতন সোনার দাম বাড়ে?

পুরাতন সোনা বিক্রির সময় দাম নির্ধারিত হয় বিক্রির দিনের BAJUS রেট অনুযায়ী — কেনার দিনের রেট অনুযায়ী নয়। তাই:

  • আজ BAJUS রেট ২২K = ৳20,350/গ্রাম
  • ৫ বছর আগে রেট ছিল ধরুন ৳৮,০০০/গ্রাম
  • তখন ১ ভরি কিনেছিলেন ৳1,07,309 (মেকিং সহ)
  • আজ বিক্রি করলে পাবেন ৳2,20,747 (আজকের রেটের ৯৩%)
  • লাভ: ৳1,13,438

তবে মনে রাখবেন

  • মেকিং চার্জ কখনো ফেরত আসে না।
  • ক্যারেট অপরিবর্তিত থাকে — ২২K ছিল, ২২K-ই থাকবে।
  • সোনার ওজনও অপরিবর্তিত — ১ ভরি কিনেছিলেন, ১ ভরিই আছে।
  • শুধু প্রতি গ্রাম/ভরির বাজারদর পরিবর্তন হয়।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: পুরাতন সোনা কি সবসময় লাভে বিক্রি হয়?

উত্তর: যদি কেনার পর সোনার দাম বেড়ে থাকে এবং বৃদ্ধি মেকিং চার্জের চেয়ে বেশি হয়, তাহলে লাভ। সাধারণত ২-৩+ বছর পর লাভ হয়।

প্রশ্ন: সোনার দাম কমলে পুরাতন সোনার দামও কমে?

উত্তর: হ্যাঁ। বিক্রি মূল্য সবসময় বিক্রির দিনের রেট অনুযায়ী — দাম কমলে বিক্রি মূল্যও কমে।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।