Skip to main content

সোনা কেনা যেমন আনন্দের, ঠিক তেমনি বিপদের দিনে সোনা বিক্রি করে ক্যাশ টাকা পাওয়াটাও অনেক স্বস্তির। সোনা হলো একমাত্র সম্পদ যার রিসেল ভ্যালু (Resale Value) সবচেয়ে ভালো। অনেকেই জানতে চান পুরোনো সোনা বিক্রি বা পরিবর্তন করার নিয়মকানুন সম্পর্কে। আজকের ব্লগে আমরা জানব সোনা বিক্রির সঠিক নিয়ম।

১. এক্সচেঞ্জ বা পরিবর্তন করার নিয়ম

আপনি যদি আপনার পুরোনো গহনা দিয়ে নতুন কোনো গহনা নিতে চান (Exchange), তবে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতির (BAJUS) নিয়ম অনুযায়ী আপনার পুরোনো গহনার মোট ওজনের ওপর ১০% বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, আপনার গহনার ওজন যদি ১ ভরি হয়, তবে এক্সচেঞ্জের সময় সেটি ০.৯০ ভরি হিসেবে ধরা হবে। সেই ০.৯০ ভরির বর্তমান বাজারদর (২২ ক্যারেট হলে ২২ ক্যারেটের দাম) থেকে নতুন গহনার দাম সমন্বয় করা হবে।

২. ক্যাশ রিটার্ন বা সরাসরি বিক্রির নিয়ম

আপনি যদি গহনার বদলে সরাসরি ক্যাশ টাকা ফেরত নিতে চান, তবে বাজুসের নিয়ম অনুযায়ী আপনার গহনার মোট ওজনের ওপর ২০% বাদ দেওয়া হবে। অর্থাৎ, ১ ভরি গহনা বিক্রি করলে আপনি ০.৮০ ভরির দাম ক্যাশ হিসেবে হাতে পাবেন।

গুরুত্বপূর্ণ শর্ত

পুরোনো সোনা বিক্রি বা এক্সচেঞ্জ করার সময় অবশ্যই আপনাকে গহনা কেনার অরিজিনাল ক্যাশ মেমো জমা দিতে হবে। মেমো ছাড়া বেশিরভাগ শোরুম পুরোনো সোনা কিনতে চায় না।

বিনিয়োগ হিসেবে সোনা

যেহেতু সোনা বিক্রির সময় ২০% লস হয়, তাই অনেকেই ভাবেন সোনা কিনে লাভ কী? আসলে দীর্ঘমেয়াদে সোনার দাম এতটাই বাড়ে যে, ২০% কাটার পরও আপনার কেনা দামের চেয়ে বেশি টাকা ক্যাশব্যাক পাওয়া যায়। আপনার পুরোনো সোনার দাম বের করতে আমাদের স্বর্ণের ক্যালকুলেটর ব্যবহার করুন।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।