ধরুন আপনি ৳2,72,967 দিয়ে ১ ভরি ২২K গহনা কিনেছিলেন (মেকিং ও VAT সহ)। এখন বিক্রি করতে গেলে পাচ্ছেন ৳2,20,747। পার্থক্য প্রায় ৳52,220! কেন?
লোকসানের ৪টি কারণ
| কারণ | আনুমানিক ক্ষতি (ভরিতে) |
|---|---|
| মেকিং চার্জ ফেরত আসে না | ৳28,483 (১২% ধরে) |
| VAT ফেরত আসে না | ৳11,868 |
| দোকানের মার্জিন (৫-৮%) | ৳16,615 |
| পিউরিটি টেস্ট কাটা | ৳4,747 |
| মোট আনুমানিক ক্ষতি | ৳61,714 |
← → স্ক্রল করে সম্পূর্ণ টেবিল দেখুনScroll sideways to see the full table
লোকসান কমানোর উপায়
- বিক্রি না করে বদলান: পুরাতন সোনা দিয়ে নতুন গহনা কিনলে মূল সোনার পূর্ণ মূল্য পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
- কম মেকিং চার্জে কিনুন: কেনার সময় কম মেকিং = পরে কম ক্ষতি।
- গোল্ড বার কিনুন: মেকিং চার্জ ২-৫% — গহনার ১০-২০%-এর চেয়ে অনেক কম। বিনিয়োগ: টিপস।
- দীর্ঘমেয়াদে রাখুন: সোনার দাম বাড়লে মেকিং চার্জের ক্ষতি পুষিয়ে যায়।
দীর্ঘমেয়াদে কি লাভ হয়?
হ্যাঁ! বাংলাদেশে গত ১০ বছরে সোনার দাম প্রায় ৩-৪ গুণ বেড়েছে। তাই ৫+ বছর আগে কেনা গহনা আজ বিক্রি করলে মেকিং চার্জের ক্ষতি সত্ত্বেও ভালো লাভ হয়। দামের ইতিহাস।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
উত্তর: মেকিং + VAT + দোকানের মার্জিন মিলিয়ে কেনার দামের ১৫-২৫% ক্ষতি হতে পারে।
প্রশ্ন: কত দিন রাখলে লাভ হবে?উত্তর: সাধারণত ২-৩ বছর পর সোনার দাম বৃদ্ধি মেকিং চার্জের ক্ষতি পুষিয়ে দেয়।