বাংলাদেশে সোনায় বিনিয়োগ ঐতিহাসিকভাবে লাভজনক। ২০১২ থেকে ২০২৬ — মাত্র ১৪ বছরে সোনার দাম ৩ গুণ বেড়েছে। কিন্তু সঠিক কৌশল না জানলে এই লাভ অনেকটাই কমে যায়।
গত ১০ বছরে সোনার দামের পরিবর্তন (বাংলাদেশ)
| সাল | ২২ ক্যারেট প্রতি ভরি (আনুমানিক) | পরিবর্তন |
|---|---|---|
| ২০১৬ | ৪৫,০০০ - ৫০,০০০ টাকা | — |
| ২০১৮ | ৫৫,০০০ - ৬০,০০০ টাকা | +২০% |
| ২০২০ | ৮৫,০০০ - ৯৫,০০০ টাকা | +৫৫% (কোভিড-যুগের উত্থান) |
| ২০২২ | ১,০৫,০০০ - ১,১৫,০০০ টাকা | +২০% |
| ২০২৪ | ১,৩০,০০০ - ১,৪৫,০০০ টাকা | +২৫% |
| ২০২৬ | ১,৫০,০০০ - ১,৬৫,০০০ টাকা | +১৫% |
← → স্ক্রল করে সম্পূর্ণ টেবিল দেখুনScroll sideways to see the full table
কোন ফর্মে সোনা কিনবেন?
| বিনিয়োগের রূপ | সুবিধা | অসুবিধা |
|---|---|---|
| সোনার গহনা | পরা যায়, সামাজিক মর্যাদা | মেকিং চার্জ অপচয়, বিক্রিতে ক্ষতি |
| সোনার বার/ইঙ্গট | সর্বোচ্চ বিশুদ্ধতা, কোনো মেকিং চার্জ নেই | সংরক্ষণের ঝুঁকি |
| সোনার কয়েন | ছোট পরিমাণে বিনিয়োগ সম্ভব | প্রিমিয়াম দিতে হয় |
| গোল্ড ETF (অনলাইন) | কোনো ফিজিক্যাল স্টোরেজ দরকার নেই | বাংলাদেশে এখনো সীমিত |
← → স্ক্রল করে সম্পূর্ণ টেবিল দেখুনScroll sideways to see the full table
বিনিয়োগের জন্য সোনা কেনার ৫টি নিয়ম
- গহনা না, বার কিনুন: মেকিং চার্জ বাঁচান।
- একসাথে সব না কিনে ধাপে ধাপে কিনুন (DCA): বাজারের ওঠানামায় ক্ষতি কমান।
- হলমার্ক যাচাই করুন: BIS হলমার্ক বা BAJUS অনুমোদিত দোকান থেকে কিনুন।
- নিরাপদে সংরক্ষণ করুন: ব্যাংক লকার ব্যবহার করুন।
- দীর্ঘমেয়াদে ধরে রাখুন: কমপক্ষে ৫ বছরের পরিকল্পনায় বিনিয়োগ করুন।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)
উত্তর: আর্থিক বিশেষজ্ঞরা বলেন মাসিক সঞ্চয়ের ৫-১০% সোনায় রাখা ভালো। এটি মুদ্রাস্ফীতি থেকে সুরক্ষা দেয়।
প্রশ্ন: সোনার ইটিএফ কি বাংলাদেশে পাওয়া যায়?উত্তর: বর্তমানে বাংলাদেশে গোল্ড ETF পরিপক্ব নয়। তবে ডিজিটাল গোল্ড প্ল্যাটফর্মের দিকে ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যে এটি অনেক জনপ্রিয়।