Skip to main content

২০২৬ সালে বাংলাদেশে ২২K সোনা প্রতি গ্রাম ৳20,350-তে পৌঁছেছে। প্রশ্ন হলো: এই বৃদ্ধি কি অব্যাহত থাকবে?

দাম বাড়ার পক্ষে যুক্তি

  • কেন্দ্রীয় ব্যাংকের ক্রয়: চীন, ভারত, তুরস্ক সহ অনেক দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক রেকর্ড পরিমাণ সোনা কিনছে।
  • ভূ-রাজনীতি: মধ্যপ্রাচ্য পরিস্থিতি, ইউক্রেন যুদ্ধ — অনিশ্চয়তায় সোনার চাহিদা বাড়ে।
  • মুদ্রাস্ফীতি: বিশ্বব্যাপী মুদ্রাস্ফীতি এখনও উচ্চ।
  • ডলার অবমূল্যায়ন: BDT দুর্বল থাকলে স্থানীয় দাম আরও বাড়বে।

দাম কমার সম্ভাবনা

  • সুদের হার বৃদ্ধি: US Fed সুদ বাড়ালে সোনা থেকে বন্ডে বিনিয়োগ সরতে পারে।
  • অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার: বৈশ্বিক অর্থনীতি ভালো করলে "নিরাপদ আশ্রয়" হিসেবে সোনার চাহিদা কমতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতামত

বেশিরভাগ বিশ্লেষক ২০২৬-২৭ সালে সোনার দাম আরও বাড়বে বলে মনে করছেন। তবে স্বল্পমেয়াদে ১০-১৫% সংশোধন সম্ভব।

দ্রষ্টব্য: এটি বিনিয়োগ পরামর্শ নয়। সোনা কেনার আগে নিজের আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনা করুন।

সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন (FAQ)

প্রশ্ন: এখন সোনা কেনা কি ঠিক হবে?

উত্তর: দীর্ঘমেয়াদী বিনিয়োগকারীদের জন্য সোনা সবসময়ই ভালো বিকল্প। স্বল্পমেয়াদে ওঠানামা থাকবে। ইতিহাস দেখুন।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।