Skip to main content

একটি ভালো ব্র্যান্ডের গাড়ি কেনার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো গাড়িটির সঠিক মেইনটেন্যান্স করা। অনেক সময় আমরা না বুঝেই কম দামি বা ভুল গ্রেডের জ্বালানি তেল ব্যবহার করে গাড়ির মূল্যবান ইঞ্জিনের বারোটা বাজিয়ে দিই। আজকের আর্টিকেলে আমরা জানব গাড়ির ইঞ্জিন ভালো রাখতে কোন তেল ব্যবহার করা উচিত।

১. ফুয়েল বা জ্বালানি (Petrol/Octane)

আপনার গাড়ি যদি আধুনিক (বিশেষ করে ফুয়েল ইনজেক্টেড বা টার্বোচার্জড) হয়, তবে অবশ্যই উচ্চ অকটেন রেটিং (RON 95 বা তার বেশি) সম্পন্ন অকটেন ব্যবহার করবেন। অকটেন ইঞ্জিনকে নকিং বা মিসফায়ার থেকে রক্ষা করে।

মাঝেমধ্যে পাম্প থেকে ভেজাল তেল নেওয়ার কারণে ইঞ্জিনে কার্বন জমে যায়। তাই ভালো মানের এবং বিশ্বস্ত ফুয়েল পাম্প থেকে তেল নেওয়ার চেষ্টা করুন। আজকের অকটেনের দাম আমাদের ওয়েবসাইট থেকে চেক করে নিতে পারেন।

২. ইঞ্জিন ওয়েল (Engine Oil / Mobil)

জ্বালানির পাশাপাশি গাড়ির ইঞ্জিনের আয়ু সবচেয়ে বেশি নির্ভর করে সঠিক গ্রেডের ইঞ্জিন ওয়েল বা মবিলের ওপর। এটি ইঞ্জিনের ভেতরের যন্ত্রাংশগুলোকে পিচ্ছিল রাখে এবং ঘর্ষণজনিত ক্ষয় থেকে বাঁচায়।

  • সিন্থেটিক ইঞ্জিন ওয়েল (Fully Synthetic): এটি আধুনিক গাড়ির জন্য সেরা। এটি উচ্চ তাপমাত্রায় ইঞ্জিনকে ঠান্ডা রাখে এবং অনেক দিন পরপর (প্রায় ৮-১০ হাজার কি.মি.) পরিবর্তন করলেও চলে।
  • গ্রেড (Grade): আপনার গাড়ির ম্যানুয়ালে লেখা গ্রেড (যেমন- 5W-30 বা 10W-40) অনুযায়ী ইঞ্জিন ওয়েল ব্যবহার করবেন। নিজের ইচ্ছেমতো গ্রেড পরিবর্তন করবেন না।

টিপস

প্রতিবার ইঞ্জিন ওয়েল পরিবর্তনের সময় অয়েল ফিল্টার (Oil Filter) পরিবর্তন করতে ভুলবেন না। সামান্য কিছু টাকা বাঁচাতে গিয়ে পুরনো ফিল্টার ব্যবহার করলে নতুন তেলের কার্যকারিতাও কমে যায়।

সঠিক জ্বালানি এবং নিয়মিত পরিচর্যাই পারে আপনার গাড়িকে বছরের পর বছর নতুনের মতো সার্ভিস দিতে। ফুয়েলের বাজার সম্পর্কে আপডেটেড থাকতে BDPriceLive ভিজিট করুন।

জ্বালানি দাম বোঝার উপায়

বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম BPC (বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন) এবং সরকার নির্ধারণ করে। আন্তর্জাতিক ক্রুড অয়েলের দামের সাথে সরাসরি সম্পর্ক থাকলেও দেশীয় দাম পরিবর্তনে সময় লাগে। ডিজেলের দাম সরাসরি পরিবহন ও পণ্যমূল্যে প্রভাব ফেলে।