Skip to main content

যারা গতানুগতিক হলুদ সোনার বদলে একটু আধুনিক এবং স্টাইলিশ লুক পছন্দ করেন, তাদের কাছে হোয়াইট গোল্ড (White Gold) বা সাদা সোনা অত্যন্ত জনপ্রিয়। বিশেষ করে হীরার আংটি বা ডায়মন্ড জুয়েলারি তৈরিতে এর ব্যবহার সবচেয়ে বেশি। অনেকেই গুগলে "white gold price bangladesh" লিখে সার্চ করেন। আজকের ব্লগে আমরা হোয়াইট গোল্ডের দাম এবং এটি কীভাবে তৈরি হয় তা জানব।

হোয়াইট গোল্ড আসলে কী?

অনেকেই ভাবেন হোয়াইট গোল্ড বা সাদা সোনা বলতে আলাদা কোনো খনিজ পদার্থ আছে। আসলে এটি সম্পূর্ণ ভুল। হোয়াইট গোল্ড মূলত সাধারণ হলুদ সোনাই (Yellow Gold), যার সাথে সাদা রঙের অন্যান্য ধাতু মেশানো হয়।

সাধারণত ১৮ ক্যারেট সোনার (৭৫% খাঁটি সোনা) সাথে ২৫% সাদা ধাতু যেমন- প্যালাডিয়াম (Palladium), নিকেল (Nickel) বা রুপা (Silver) মেশানো হয়। এরপর গহনাটিকে আরও ঝকঝকে সাদা করতে এর ওপর রোডিয়াম (Rhodium) নামক একটি অত্যন্ত মূল্যবান ধাতুর প্রলেপ দেওয়া হয়।

বাংলাদেশে হোয়াইট গোল্ডের দাম কত?

যেহেতু হোয়াইট গোল্ড মূলত ১৮ ক্যারেটের হয়ে থাকে, তাই এর দাম ১৮ ক্যারেট সোনার বাজারদরের সমান হয়। তবে এর মেকিং চার্জ সাধারণ সোনার চেয়ে কিছুটা বেশি হতে পারে, কারণ এতে রোডিয়াম প্লেটিংয়ের অতিরিক্ত খরচ থাকে।

হোয়াইট গোল্ড বনাম প্ল্যাটিনাম

দেখতে একই রকম হলেও হোয়াইট গোল্ড এবং প্ল্যাটিনাম সম্পূর্ণ আলাদা ধাতু। প্ল্যাটিনাম প্রাকৃতিকভাবেই সাদা এবং এর দাম হোয়াইট গোল্ডের চেয়ে অনেক বেশি। আপনি যদি বাজেটের মধ্যে সাদা গহনা চান, তবে হোয়াইট গোল্ডই সেরা।

আপনার গহনার মোট দাম কত পড়বে তা হিসাব করতে আমাদের স্বর্ণের ক্যালকুলেটরটি ব্যবহার করুন।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।