Skip to main content

গহনা কেনার সময় সবচেয়ে বেশি যে কথাটি শুনতে হয় তা হলো, "এটি কি হলমার্ক করা সোনা?"। কিন্তু এই হলমার্ক (Hallmark) আসলে কী এবং এটি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ, তা অনেকেই জানেন না। না জানার কারণে অসাধু ব্যবসায়ীদের পাল্লায় পড়ে অনেকেই প্রতারিত হন। আজকের ব্লগে আমরা হলমার্কের বিস্তারিত জানব।

হলমার্ক (Hallmark) কী?

হলমার্ক হলো সোনার বিশুদ্ধতা প্রমাণের একটি সরকারি বা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। সোনাটি কত ক্যারেটের, তা যাচাই করে একটি লোগো বা নম্বর গহনার গায়ে খোদাই করে দেওয়া হয়, একেই হলমার্ক বলে। বাংলাদেশে BSTI এবং বিভিন্ন প্রাইভেট ল্যাবরেটরি সোনার হলমার্কিংয়ের কাজ করে থাকে।

হলমার্ক কেন এত জরুরি?

ধরুন, আপনি দোকান থেকে ২২ ক্যারেট সোনার দাম দিয়ে একটি গহনা কিনলেন। কিন্তু দোকানদার যদি গহনার ভেতরে ২১ ক্যারেট বা ১৮ ক্যারেটের খাদ মিশিয়ে দেয়, তবে আপনি খালি চোখে তা কোনোভাবেই বুঝতে পারবেন না। আপনি যখন কয়েক বছর পর সেটি বিক্রি করতে যাবেন, তখন মেশিনে চেক করলে এর আসল ক্যারেট ধরা পড়বে এবং আপনি আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।

কিন্তু গহনায় যদি হলমার্ক (যেমন 916) খোদাই করা থাকে, তবে আপনি শতভাগ নিশ্চিত থাকতে পারেন যে আপনি ২২ ক্যারেটের খাঁটি সোনাই পেয়েছেন।

হলমার্কের নম্বরগুলো কীভাবে চিনবেন?

সতর্কতা

অনেক সময় নকল গহনার গায়েও ভুয়া সিল মারা থাকে। তাই সবসময় বাজুস (BAJUS) অনুমোদিত এবং বিশ্বস্ত জুয়েলারি শোরুম থেকে গহনা কিনবেন। মেমোতে অবশ্যই হলমার্কের কথা লেখা থাকতে হবে।

বাংলাদেশে সোনা কেনার সাধারণ পরামর্শ

বাংলাদেশে সোনা কেনার সময় কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন: (১) সবসময় BAJUS রেটের সাথে তুলনা করুন — BDPriceLive-এ সর্বশেষ দাম দেখুন। (২) হলমার্ক যাচাই করুন — "916" = ২২K, "750" = ১৮K। (৩) মেকিং চার্জ আলোচনা করুন — বিশেষ করে জটিল ডিজাইনে। (৪) ওজন নিজে যাচাই করুন — দোকানের ওজন মেশিনে ক্যালিব্রেশন সার্টিফিকেট থাকা উচিত। (৫) রসিদে সোনার ওজন, ক্যারেট, দাম ও মেকিং চার্জ আলাদা উল্লেখ থাকা উচিত।