ল্যাব-গ্রোন হীরার দাম বাংলাদেশ
ল্যাব হীরা — একই ৪C, সাশ্রয়ী মূল্য
সর্বশেষ আপডেট: ১৩ অক্টোবর ২০২৬ — ১২:৫০ BST
হীরার দাম চার্ট
ল্যাব-গ্রোন হীরা রাসায়নিকভাবে, শারীরিকভাবে এবং দৃশ্যত প্রাকৃতিক হীরার মতোই — কিন্তু দাম সাধারণত ৬০-৮০% কম। আজকের ১ ক্যারেট ন্যাচারাল বেস ৳৮২,৬৩৭ — ল্যাব-গ্রোন একই সাইজ ও মানের জন্য প্রায়ই এর ভগ্নাংশ। ল্যাব-গ্রোন হীরা দুটি পদ্ধতিতে তৈরি হয়: HPHT (High Pressure High Temperature) এবং CVD (Chemical Vapor Deposition)। উভয় পদ্ধতিই কার্বন পরমাণু থেকে সত্যিকারের হীরা তৈরি করে। বাংলাদেশে ল্যাব-গ্রোন হীরা ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে, বিশেষ করে তরুণ দম্পতিদের মধ্যে যারা বাজেটের মধ্যে বড় ও সুন্দর পাথর চান। তবে পুনর্বিক্রয় মূল্য প্রাকৃতিকের চেয়ে উল্লেখযোগ্যভাবে কম।
একদমই না। ল্যাব-গ্রোন হীরা রাসায়নিকভাবে একই কার্বন স্ফটিক — প্রাকৃতিক হীরার মতোই কঠিনতা (মোহ্স ১০), আলোক প্রতিসরণ ও তাপ পরিবাহিতা আছে। এটি CZ (কিউবিক জিরকোনিয়া) বা মোইসানাইট থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। পার্থক্য শুধু উৎসে — একটি খনি থেকে, অন্যটি ল্যাব থেকে।
হ্যাঁ, তবে পুনর্বিক্রয় মূল্য প্রাকৃতিকের চেয়ে কম — কারণ সরবরাহ সীমাহীন এবং বাজারে দাম কমছে। গহনা হিসেবে পরার জন্য দুর্দান্ত, কিন্তু বিনিয়োগ হিসেবে নয়।
সাইজ ও ৪C ভেদে ৬০-৮০% পর্যন্ত কম। উদাহরণ: ১ ক্যারেট প্রাকৃতিক VS G-H যদি ৳৮০,০০০ হয়, ল্যাব-গ্রোন একই মানের ৳১৫,০০০-৳৩০,০০০ হতে পারে।
দুটোই আসল হীরা তৈরি করে। HPHT পুরোনো পদ্ধতি এবং কিছু ক্ষেত্রে হলদে আভা থাকতে পারে। CVD আধুনিক এবং সাধারণত বেশি স্বচ্ছ। কিন্তু গুণমান নির্ভর করে নির্দিষ্ট পাথরের ওপর — সার্টিফিকেট দেখুন।
